কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫ এ ১২:৩১ PM
কন্টেন্ট: পাতা

| স্থানের নাম | সিতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা |
| এক বাক্যে পরিচিতি | বিলুপ্তপ্রায় ও বিরল প্রজাতির প্রাণীসমৃদ্ধ একটি চিড়িয়াখানা। |
| সংক্ষিপ্ত বর্ণনা | সিতেশ রঞ্জন দেব এর মিনি চিড়িয়াখানাটি তাঁর বাসার ভিতরেই। চিড়িয়াখানায় প্রবেশমূখের বামপাশে চোখে পড়বে গুঁই সাপ ! এরপরই চোখে পড়বে একটি মেছো বাঘ। এক সময় প্রচুর পরিমাণে শ্রীমঙ্গলে দেখা যেতো এই বাঘ। আর একটু এ গিয়ে বামে তাকালেই চোখে পড়বে রঙের বর্ণচ্ছ্বটা আর কানে আসবে কিচিরমিচির শব্দ। বিরল প্রজাতির এই পাখিগুলো দেখে যে কেউই বিস্ময়াভূত হবেন। চিড়িয়াখানায় সংরক্ষিত বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে রয়েছে: বিলুপ্তপ্রায় সাদা বাঘ, বিরল প্র জাতির সোনালী বাঘ, সোনালী হনুমান, সজারু, হিংস্র মেছোবাঘ, চারপাশে আতপ চালে গন্ধ ছড়ানো গন্ধোগোকুল, পাহাড়ি বক, নিশি বক, সোনালী কচ্ছপ ও অসংখ্য বিরল প্রজাতির পাখি। এছাড়াও আছে লজ্জাবতী বানর, লাল উড়ন্ত কাঠ বিড়ালি, অজগর, হনুমান, মায়া হরিণসহ প্রায় দেড়শ প্রজাতির জীবজন্তু। রয়েছে কালো-হলুদ ডোরাকাটা ত্রিভুজাকৃতির বিলুপ্তপ্রায় শঙ্খণী। |
| দূরত্ব | ঢাকা থেকে দূরত্ব প্রায় ১৮১ কি.মি. জেলা সদর থেকে দূরত্ব প্রায় ২১ কি.মি. শ্রীমঙ্গল উপজেলা হতে দুরত্ব প্রায় ১ কি. মি. যোগাযোগ মাধ্যম- ট্রেন, বাস, মাইক্রোবাস, সিএনজি, মোটর সাইকেল, অটোরিক্সা |
| কিভাবে যাবেন | ঢাকা থেকে রেল কিংবা সড়ক পথে সরাসরি শ্রীমঙ্লল যাওয়া যায়, শ্রীমঙ্গল থেকে অটোরিক্সা বা সিএনজি যোগে সিতেশ বাবুর চিড়িয়াখানায় যাওয়া যায়। |
| পার্শ্ববর্তী দর্শনীয় স্থান | বধ্যভূমি ৭১, বিটিআরআই, চা জাদুঘর ও অন্যান্য |
| পার্শ্ববর্তী রেস্টুরেন্ট | গ্র্যান্ডতাজ, হাবিব হোটেল, কুটুম বাড়ী, শ্রীমঙ্গল ইন ও অন্যান্য |
| পার্শ্ববর্তী হোটেল | গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এন্ড গলফ, বৃষ্টি বিলাশ গেষ্ট হাউজ, জঙ্গল কটেজ ও অন্যান্য |
| ঝুঁকিসমূহ | চিড়িয়াখানার প্রাণীদের থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করা দরকার। |
| ম্যাপ (জিপিএস লোকেশন) | |
| পরামর্শ | চিড়িয়াখানায় ভ্রমণের সময় প্রাণীদের খাঁচার খুব নিকটে না যাওয়া। |