কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫ এ ১১:৫৬ AM
কন্টেন্ট: পাতা

| স্থানের নাম | লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান |
| এক বাক্যে পরিচিতি | সুউচ্চ গাছের সমারোহ ও মাঝখান দিয়ে ছুটে যাওয়া রেলপথবেষ্টিত বন |
| সংক্ষিপ্ত বর্ণনা | লাউয়াছড়া এক মায়াবী মিশ্র চিরহরিৎ বন যা দেশের অন্যতম ‘রেইন ফরেস্ট’। মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত এ বন জীববৈচিত্র্যে ভরপুর। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভেতর আড়াই হাজারেরও অধিক প্রজাতির প্রাণী রয়েছে। বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত। এছাড়াও এখানে রয়েছে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রজাতির দুর্লভ ও বিলুপ্তপ্রায় জীবজন্তু, পক্ষী, কীটপতঙ্গ, উদ্ভিদ আর অর্কিড। রয়েছে একটি ভেষজ উদ্ভিদের বাগান। রয়েছে নানান প্রজাতির সরিসৃপ, বাঘ, ভাল্লুক, হরিণ, বানরসহ অর্ধশত প্রজাতির জীবজন্তু। উদ্যানটির ভিতরে রয়েছে কয়েকটি খাসিয়া পুঞ্জি, পাহাড় বেষ্টিত লম্বা বৃক্ষে খাসিয়ারা খাসিয়া পানের চাষ করে। উদ্যানের এক পাশে রয়েছে আনারসের বাগান, এক পাশে চায়ের বাগান, আবার কোথাও রয়েছে লেবুর বাগান। বনের ভেতর দিয়ে অনেকগুলো পাহাড়ি ছড়া বয়ে চলেছে। ছড়ার কাছে বন্যপ্রাণীর নাগোনা দেখা যায়। খাসিয়া নরনারীদের পান সংগ্রহ পর্যটকদের নিশ্চিতভাবেই বিমোহিত করে। নির্দিষ্ট হারে প্রবেশ মূল্য দিয়ে যে কেউ লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে ভ্রমণ করতে পারে। বনে তিনটি ট্রেইল বা হাঁটার পথ রয়েছে: একটি ০৩ ঘণ্টার পথ, একটি ০১ ঘণ্টার পথ আর অপরটি ৩০মিনিটের পথ। পুরো ন্যাশনাল পার্কটি শ্রীমঙ্গল ভানুগাছ পাকা মহাসড়ক ও সিলেট আখাউড়া রেলওয়ে সেকশনের রেললাইন দ্বারা ৩ খন্ডে বিভক্ত। কিন্তু রেললাইন ও পাকা সড়ক দ্বারা বিভক্ত হলে ও উদ্যানের ভেতর তেমন কোনো বাড়ি-ঘর নেই। প্রকৃতিকে বিরক্ত না করে প্রশিক্ষিত গাইডের সহায়তায় বনের একেবারে ভেতর পর্যন্ত যাওয়া যায়। |
| দূরত্ব | ঢাকা থেকে দূরত্ব প্রায় ১৮৮ কি.মি. উপজেলা সদর থেকে দূরত্ব প্রায় ৮.৫ কি.মি. শ্রীমঙ্গল উপজেলা সদর থেকে দূরত্ব প্রায় ৮ কি.মি. যোগাযোগ মাধ্যম- ট্রেন, বাস, মাইক্রোবাস, সিএনজি, মোটর সাইকেল, অটোরিক্সা। |
| কিভাবে যাবেন | শ্রীমঙ্গল/মৌলভীবাজার বাসস্ট্যান্ড বা শ্রীমঙ্গল/ ভানুগাছ/শমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশন হতে বাস, মাইক্রোবাস, সিএনজি অটোরিক্সার মাধ্যমে যাওয়া যাবে। এছাড়া কার/ মাইক্রোবাসের মাধ্যমে সরাসরি যাওয়া যায়। |
| পার্শ্ববর্তী দর্শনীয় স্থান | মাগুরছড়া পুঞ্জি, খাসিয়া পুঞ্জি, বধ্যভূমি-৭১, মাধবপুর লেক, বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি হামিদুর রহমান এঁর স্মৃতিসৌধ, কমলগঞ্জ। |
| পার্শ্ববর্তী রেস্টুরেন্ট | পানাহার রেস্টুরেন্ট, গ্রামের বাড়ি, রাধুনী হোটেল |
| পার্শ্ববর্তী হোটেল | লেমন গার্ডেন রিসোর্ট, হীড বাংলাদেশ রেস্ট হাউস |
| ম্যাপ (জিপিএস লোকেশন) | |
| পরামর্শ | বনের গভীরে যেতে চাইলে ভ্রমণ গাইড সাথে নিয়ে চলাচল করা |