কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫ এ ১২:৪৭ PM
কন্টেন্ট: পাতা

| স্থানের নাম | হামহাম জলপ্রপাত |
| এক বাক্যে পরিচিতি | প্রকৃতির বুকে নয়নাভিরাম সৌন্দর্য্যমন্ডিত জলপ্রপাত। |
| সংক্ষিপ্ত বর্ণনা | হামহাম জলপ্রপাত কমলগঞ্জ উপজেলার গহীন অরণ্যে অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক জলপ্রপাত। কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গভীরে কুরমা বন বিট এলাকায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক জলপ্রপাত বা ঝর্ণা। ঝরণার যৌবন হলো বর্ষাকাল। বর্ষাকালে প্রচন্ড ব্যাপ্তিতে জলধারা গড়িয়ে পড়ে। ঝরণার ঝরে পড়া পানি জঙ্গলের ভিতর দিয়ে ছড়া তৈরি করে বয়ে চলেছে। এরকমই বিভিন্ন ছোট-বড় ছড়া পেরিয়ে জঙ্গলের বন্ধুর পথ পেরিয়ে এই ঝরণার কাছে পৌঁছতে হয়। কমলগঞ্জ উপজেলা হতে কুরমা চা বাগানের কলাবনপাড়া থেকেহাঁটার রাস্তা প্রায় ৮ কিলোমিটারের মতো পাহাড়ি পথ শেষে হামহাম ঝর্ণার দেখা মিলবে। এ জলপ্রপাতে কুরমা চা বাগান হতে পায়ে হেঁটে যেতে আসতে সময়লাগে প্রায় ৫ ঘন্টা। |
| দূরত্ব | ঢাকা থেকে দূরত্ব প্রায় ২৩৮.৫ কি.মি. শ্রীমঙ্গল উপজেলা সদর থেকে দূরত্ব প্রায় ৬২ কি.মি. যোগাযোগ মাধ্যম- ট্রেন, বাস, মাইক্রোবাস, সিএনজি, মোটর সাইকেল, অটোরিক্সা। |
| কিভাবে যাবেন | বাস, ট্রেন যেভাবেই হোক প্রথমে মৌলভীবাজার অথবা শ্রীমঙ্গলে আসতে হবে। সেখান থেকে যেতে হবে কমলগঞ্জ। যারা এ জায়গায় যেতে ইচ্ছা পোষণ করবেন তাদের কমলগঞ্জ অথবা শ্রীমঙ্গল শহর হতে যানবাহন ভাড়া করতে হবে। এছাড়াও কমলগঞ্জ পৌরসভার মোড় থেকে কলাবন পর্যন্ত দূরত্ব ২৪ কিলোমিটার। এই ২৪ কিলোমিটারের মধ্যে কুরমা পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার পাকা রাস্তা এবং বাকিটা পথ কাঁচা। কলাবনপাড়া থেকে হাঁটার রাস্তা প্রায় ৮ কিলোমিটারের মতো পাহাড়ি পথ শেষে হামহাম ঝর্ণার দেখা মিলবে। কুরমা চা বাগান হতে পায়ে হেঁটে যেতে আসতে সময় লাগে প্রায় ৫ ঘন্টা। |
| পার্শ্ববর্তীদ দর্শনীয় স্থান | মাধবপুর লেইক, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর স্মৃতি জাদুঘর ও অন্যান্য |
| পার্শ্ববর্তী রেস্টুরেন্ট | পানাহার রেস্টুরেন্ট, কুমিল্লা হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট ও অন্যান্য |
| পার্শ্ববর্তী হোটেল | অরণ্য নিবাস রিসোর্ট, হীড বাংলাদেশ রেস্ট হাউস ও অন্যান্য |
| ঝুঁকিসমূহ | মোবাইল সিগনাল দুর্বল হতে পারে। টিলার উঠার সময় সর্তকতা অবলম্বন করা। |
| ম্যাপ (জিপিএস লোকেশন) | |
| পরামর্শ | একজন অভিজ্ঞ গাইড সাথে নিয়ে যাওয়া। |